ইসির বেঁধে দেওয়া সময়ে এলাকা ছাড়েননি ডেপুটি স্পিকার

0


নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে এলাকা ছাড়েননি জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া। তাকে শনিবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে গাইবান্ধা-৫ নির্বাচনি আসনের আওতাধীন (ফুলছড়ি ও সাঘাটা) উপজেলা ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। শনিবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

শনিবার (১৬ মর্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ডেপুটি স্পিকারের মোবাইলফোনে কল দিলে এপিএস সাগর ওরফে মাজু মিয়া জানান, রাতের মধ্যে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন ডেপুটি স্পিকার। তবে এ বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ প্রসঙ্গে গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমান জানান, বিধি বহির্ভুতভাবে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে নির্বাচন কমিশন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়াকে শনিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে গাইবান্ধা-৫ নির্বাচনি আসনের আওতাধীন (ফুলছড়ি ও সাঘাটা) উপজেলা ত্যাগের নির্দেশ দেয়। কমিশনের নির্দেশনাপত্র পাওয়ার পর ফজলে রাব্বী মিয়া এলাকা ত্যাগের সিন্ধান্ত নিয়েছেন। তবে কখন তিনি এলাকা ত্যাগ করবেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি। নির্দেশনার পরেও যদি তিনি এলাকা ত্যাগ না করেন, তাহলে পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

এর আগে শনিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক পত্রে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়াকে নির্বাচনি এলাকা ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্দেশনাপত্রে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার বিরুদ্ধে সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে একজন প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণাসহ নির্বাচনি বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ গ্রহণের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়।

এপিএস মাজু মিয়া বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশে এলাকা ছেড়ে ঢাকা যাওয়ার সিন্ধান্ত নিয়েছেন ফজলে রাব্বী মিয়া। ব্যক্তিগত গাড়ি না আনায় শনিবার রাতেই তিনি ট্রেনযোগে কিংবা বাসে করে ঢাকায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ট্রেনের টিকিট পেলে সাঘাটার বোনারপাড়া রেলসেটশন উঠবেন তিনি। এছাড়া ট্রেনে সম্ভব না হলে গাইবান্ধা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে বাসে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।’

মাজু মিয়া জানান, ‘কোনও কারণে ট্রেন বা বাসের টিকিট না পেলে প্রাইভেট কারে রওনা হবেন ফজলে রাব্বী মিয়া। এজন্য ঢাকা থেকে ব্যক্তিগত প্রাইভেট কার সাঘাটার নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। ঢাকায় ফেরার উদ্দেশ্যে সকল প্রস্তুতি নিয়ে বর্তমানে নিজ গ্রামের বাড়িতে তিনি অবস্থান করছেন।’

ফুলছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে চারজন ও সাঘাটা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে ফুলছড়ি উপজেলায় আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকে জিএম সেলিম পারভেজ ছাড়াও তিনজন প্রার্থী স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) হিসেবে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। এছাড়া সাঘাটা উপজেলায় আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকে সামছুল আরেফিন টিটু ছাড়াও একজন প্রার্থী স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আরও পড়ুন: ডেপুটি স্পিকার ও সাইমুম সরোয়ারকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ

 



LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here