বঙ্গবন্ধুর মতো শৈশব-কৈশোর পাক শিশুরা

0


আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন। এটি তার ৯৯তম জন্মবার্ষিকী। আগামী বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পূর্ণ হবে। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন আমাদের জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।

দিনটিকে সামনে রেখে শিশুদের তৈরি করার বিষয়টি আমাদের সামনে এসে যায়।

বঙ্গবন্ধু যেভাবে শৈশব-কৈশোরে নানা ধরনের মানবিক চেতনাবোধে বড় হয়েছেন, আমাদের শিশুদের মাঝে এ চেতনা বিস্তার লাভ করুক- এটাই এ সময়ের প্রত্যাশা।

তিনি যেভাবে বন্ধুদের সঙ্গে আন্তরিক সহমর্মিতায় নিজের কিশোর বেলা পার করেছেন, সেটা আমাদের কিশোর-কিশোরীদের জন্য একটি বড় দিগন্ত। ওরা যদি এভাবে বড় হয় তাহলে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ মানবিক দর্শনে রূপান্তরের শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্র হবে।

এখন প্রয়োজন সরকারি-বেসরকারি সব উদ্যোগের মধ্যে বিষয়গুলো শিশুদের শেখানো। তারা যেন ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সত্যিকারের মানুষ হয়ে বড় হয়। বঙ্গবন্ধু প্রকৃতিকে ভালোবাসতেন।

খালবিল, নদী, গাছপালা, ফুল, পশুপাখি যেভাবে নিজের কৈশোরে তিনি দেখেছেন, সেভাবে আজকের সময়ে আমাদের শিশুদের পরিবেশের বিষয়গুলো গভীরভাবে দেখা দরকার।

কারণ পরিবেশ বিপর্যয় বর্তমানে বড় শঙ্কার কারণ। শিশুরা যেন পরিবেশপ্রেমী হয়, পরিবেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংক্রান্ত বিষয়গুলো যেন তারা জানতে পারে ও সচেতন হয় তার শিক্ষা পাওয়ার পথ তাদের জন্য করে দিতে হবে।

সেলিনা হোসেন : কথাসাহিত্যিক



LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here