পাবনার বেড়া উপজেলায় আজ শনিবার দুপুরে বজ্রপাতে বাবা ও দুই ছেলেসহ চার কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতে দুজন ও বিকেলে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় তিনজনের মৃত্যু হয়। প্রথম আলোর প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

বেড়া (পাবনা)
বেড়ায় শনিবার দুপুরে বজ্রপাতে বাবা ও দুই ছেলেসহ চার কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে উপজেলার চাকলা ইউনিয়নের পাঁচুরিয়া গ্রামে বজ্রপাতের ওই ঘটনা ঘটে। নিহতেরা হলেন, মোতালেব সরদার (৫৫), তাঁর দুই ছেলে ফরিদ সরদার (২২) ও শরীফ সরদার (১৮)। অপর নিহত ব্যক্তির নাম রহম আলী (৫৫)।

নিহত ব্যক্তিদের পরিবার ও চাকলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টির মধ্যে এই চারজন পাঁচুরিয়া খেলার মাঠের পার্শ্ববর্তী খালে পাটের আঁশ ছাড়াচ্ছিলেন। দুপুরের দিকে সেখানে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়।

এর আগে গত ১৪ জুন দুপুরে উপজেলার বাগশোয়াপাড়া ও বক্তারপুর গ্রামে ফসল তোলার সময় তিন কৃষকসহ চারজন বজ্রপাতে মারা গিয়েছিলেন।

ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহের ফুলপুরে বজ্রপাতে এক কৃষকসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে উপজেলার পয়েরী ও রামসোনা গ্রামে পৃথক বজ্রপাতের এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, উপজেলার পয়েরী গ্রামের ওয়াহেদ আলীর ছেলে জামাল উদ্দিন (৪০) ও রামসোনা গ্রামের আবদুল মজিদের ছেলে সোহাগ মিয়া (২৩)। ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেবুন নাহার শাম্মী দুজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘটনার সময় নিজ গ্রামের মাঠে ধানের চারা নিয়ে যাচ্ছিলেন জামাল উদ্দিন। অন্যদিকে সোহাগ মিয়া হাসের খামারে খাবার দিচ্ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বজ্রপাতে তিন কৃষি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার ভাংবাড়িয়া ইউনিয়নের খোরদগ্রামে ট্রাকে কলা ভর্তির সময় বজ্রপাতের ওই ঘটনা ঘটে।

নিহতেরা হলেন, মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের কলাইডাঙ্গা গ্রামের গোলাম রসুলের ছেলে মোহাম্মদ হুদা (৩২), মকবুল হোসেনের ছেলে ইয়ামিন হোসেন (৩০) ও বরকত আলীর ছেলে হামিদুল ইসলাম (৩২)।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান মুন্সী জানিয়েছেন, ঘটনার পরপরই এই তিনজনকে স্থানীয়রা চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সোনিয়া আহমেদ জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই এই তিনজন মারা গেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here