মরুর বুকে ডুয়েটিয়ানদের এক যুগের পদচারণা

0


আরব আমিরাতে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) সূত্রে ঐক্যবদ্ধ হওয়া শুরু হয় ২০০৭ সালে। ওই বছর শারজাহ আল মাজাজ পার্ক বনভোজন দিয়ে শুরু হয় এই মিলনমেলা। এরপর প্রতিবছর এভাবেই মিলিত হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত ডুয়েটের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ছিল চলতি বছরের ব্যতিক্রমী আয়োজন। এদিন রাস আল খাইমা ডুয়েটিয়ানদের উদ্যোগে মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয় সাকার পার্কে। আয়োজনের মধ্যে ছিল– শিশুদের চিত্রাঙ্কন, ভাষা দিবসের স্মরণ, বিভিন্ন খেলাধুলা আর ক্যাম্পাসের দিনগুলোর গল্প ও দিনভর নানারকম আয়োজন। মরুর বুকে আমিরাতের ফুজিরা, আবুধাবি, শারজাহ, দুবাই, আল আইন, উম্ম আল কোয়েন, আজমান আর হোস্ট স্টেট রাস আল খাইমার শতাধিক প্রকৌশলী পরিবারের স্বতস্ফূর্ত উপস্থিতিতে সাকার পার্ক একদিনের জন্য হয়ে উঠল একটি জীবন্ত ডুয়েট ক্যাম্পাস। টাইম মেশিনে চড়ে সবাই ফিরে যায় যার যার পুরনো দিনে।

ডুয়েটের প্রথম ব্যাচের গ্র্যাজুয়েট দুবাই আইইবির প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী আবদুস সালাম খানের সভাপতিত্বে রাস আল খাইমার ডুয়েটিয়ানদের সংগঠক প্রকৌশলী আকিকুর রহমানের স্বাগত বক্তব্যে শুরু হয় অনুষ্ঠান। তারপর একে একে বক্তব্য রাখেন– অনুষ্ঠানের অন্যতম সংগঠক প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান কবির, মমিনুল ইসলাম মানিক, নূরে আলম, হুমায়ুন কবির, নেছার উদ্দিন, অনুষ্ঠানের টাইটেল স্পন্সর প্রকৌশলী জহির রেহান, মিল্টন বিশ্বাস-সহ আরও অনেকে।

ডুয়েটের নারী সদস্য নীলা, আলো, আর তাঞ্জিলারাও ক্যাম্পাসের সেই সোনালি দিনগুলো স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হন। বক্তারা প্রকৌশল পেশার এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক মতবিনিময় ও যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে  দেশকে  ও ডুয়েটকে বৈশ্বিকভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান।



LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here